মেনু নির্বাচন করুন

ভোকেশনাল ইনিষ্টিউট রামচন্দ্রপুর স্কুল এন্ড কলেজ

ঝিনাইদহ সদর পশ্চিমাঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিস্ঠান যাহা- ১৯৯৪ইং সনের ১৫ই নভেম্বর কয়েকজন গরীব, মেধাহীন যাহাদের ছিল না কোন আর্থীক সঙগতি তাহারাই প্রতিষ্ঠা করে রামচন্দ্রপুর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। যাহার কর্ণধর নিযুক্ত করা হয় বর্তশানের অধ্যক্ষ জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম কে। ০১লা জানুয়ারী ১৯৯৬ সালে জুনিয়র স্কুল হিসাবে অনুমোদন পাওয়া যায়। অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রচেষ্টাই শিশু এই বিদ্যা নিকেতনকে তীলতীল করে গড়ে তোলা হয়।০১লা এপ্রিল ১৯৯৯ইং তারিখ হতে জুনিয়রের এমপিও ভুক্ত হয়।ঐ বদারই প্রস্তাবিত বিদ্যালয় হিসাবে- এস.এস.সি পরীক্ষায় ১৪ জন অংশ গ্রহণ করে। অবশ্য পরবর্তিতে এই অবস্থার পরিবর্তন হতে থাকে, পরবর্তি বছর ২৩ জন এস.এস.সি পরীক্ষা দেয়। পরবর্তিতে ক্রমশ্বয়ে উন্নত হতে থাকে। যাহা বর্তশানের এইরূপ। ০১লা জানুয়ারী ২০০১ সাল হতে মাধ্যমিকের স্বীকৃতি পাওয়া যায় যশোর শিক্ষা বোর্ড হতে। এবং ১লা মে ২০০২ সনে দ্বিতীয় স্তরের এমপিও ভুক্ত হয়। এবং একই বদীর স্থায়ী অনুমোদন হয় ব্যবসায় শিক্ষা শাখা, বিজ্ঞান ও কম্পিউটার শাখা। একই বছর নিয়োগ দেওয়া হয় সহ-প্রধান শিক্ষক, কম্পিউটার শিক্ষক ও সমাজ বিজ্ঞানের ১জন করে ৩জন শিক্ষক। পূর্বে ১লা জানুয়ারী ১৯৯৫ইং তারিখে জন্মলগ্নে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল প্রধান শিক্ষক সহ আরও ৭জন শিক্ষক ও ৩জন কর্মচারী। ২০০৭ইং সনে ঢাকা বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধিন ২টি ট্রেড জেনারেল ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস ও বিল্ডিং মেইনটেন্স নিয়োগ দেওয়া হয় প্রাথমিক ভাবে ২টি ট্রেড ইন্সট্রাকটর ও ১জন ল্যাব এসিসট্যান্ট। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকার ফলশ্রুতিতে ২০০১ সনে নির্মিত ফ্যাসিলটিজ বিভাগ হতে তৈরী হয় সাড়ে সতের লক্ষ টাকাই নির্মিত ৩কক্ষ বিশিষ্ট একটি বিল্ডিং। অবশেষে ২০১৩-২০১৪ শিক্ষা বর্ষে খোলা হয় কলেজ শাখা প্রাথমিক অনুমতি প্রাপ্ত হয়ে প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন হয়ে নাম করন হয় রামচন্দ্রপুর স্কুল এন্ড কলেজ। প্রথম বার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ১৮ জন শিক্ষার্থী। দ্বিতীয় ব্যাচ অর্থাৎ ২০১৬ সনে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫৫ জন। এবং একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০২ জন। ইতো মধ্যে নিয়োগ হয়েছে স্কুল কলেজ মিলিয়ে সর্বমোট ৩৫ জন কর্মচারী। এখন ঝিনাইদহ সদর পশ্চিমাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।


Share with :

Facebook Twitter